June 15, 2024, 10:48 pm

নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন

সাংবাদিকঃ
  • খবর প্রকাশিত সময়ঃ Monday, July 26, 2021
  • 82 পড়েছেন:

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার ছাত্রলীগ নেতা শাহ মোঃ মেহেদী হাসান।তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে এমনটিই দাবি এ ছাত্রলীগ নেতার‌।আজ সংবাদ সম্মেলনে মোঃ মেহেদী হাসান বলেন,আমি সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের,আমার বাবা শাহ মোঃ আলমগীর ফরিক নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উপদেষ্টা মন্ডিলর সদস্য তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আমার মা মোঃ রাফেজা বেগম সাধারণ সম্পাদক নগরকান্দা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ।

আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান, আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েও মুজিব আদর্শকে বুকে ধারণ করে নির্মম নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করেছি আমি ও আমার পরিবার। আওয়ামী সংগঠনকে ভালবেসে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছি,কখনো নিজের জন্য ভাবিনি।
সম্প্রতি আমি দেখলাম কিছু অনলাইন পত্রিকা যেমনঃ বাংলাদেশ জার্নাল, আমার সময়, ফরিদপুর টাইমস এ নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি কে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ গুলো প্রকাশিত হয়েছে তা অসত্য।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে ৭ টি মামলা এবং বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিগত ১৯/৬/২০২০ তারিখ আনুমানিক ৪:৩০ ঘটিকার সময় ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আলমগীর খানের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ অফিসে আমরা কয়েকজন দলীয় আলোচনার জন্য একত্রিত হই। এমতাবস্থায় আমাদের উপর জাকারিয়া খান খোকা ও রিফাত মীরের নেতৃত্বে ২০ – ২৫ জন অতর্কিত হামলা চালায় শুধু তাই নয়, অফিসের ভেতর থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এবং সংসদ উপনেতার রাজনৈতিক প্রতিনিধি শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু সাহেবের ছবি ভাংচুর করে। আমি এবং রাজু খান বাধা দিলে আমাদের রামদা দিয়ে কোপায়। আমাদের চিৎকারে উপস্থিত জনতা আমাদের নগরকান্দা উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

প্রানের সংগঠন আওয়ামীলীগের অফিস ভাংচুরের মতো নেককার জনক ঘটনার জন্য আমি বাদী হয়ে ১৯/৬/২০২০ তারিখ রাত ১২:৩০ ঘটিকায় নগরকান্দা থানায় আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, ২০০২ এর ৪/৫ ধারায় ( দ্রুত বিচার আইন, ২০১৯, সংশোধনী ) একটি মামলা দায়ের করি।

এরই ফলশ্রুতিতে ঘটনার ২ দিন পরে আমি মামলা দায়ের করার পরে আমাকে কাউন্টার দেওয়ার জন্য ২১/৬/২০২০ তারিখ আমার বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করে যাহা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

মামলা করার পর থেকেই আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল যাতে করে আমি মামলা তুলে ফেলি। নিরাপত্তার জন্য আমি আবারও একটা জিডি করি ১৯/৭/২০২০ তারিখ এর পরে আমার প্রতি আরো ক্ষুব্ধ হয়ে আবারও ২০/৯/২০২০ তারিখ কাউন্টার একটা মামলা দায়ের করে।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসার আক্রমণ থেকে আমি বের হতেই পারছি না এ যেন কফিনের শেষ পেরেক ঠোকার মতো। বিগত ১৫/৩/২০২০ তারিখ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং সম্পূর্ণভাবে বানোয়াট একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনার ৮ মাস ২২ দিন পরে আমাদের বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করে যা এখন সি.আই.ডি এর কাছে তদন্তাধীন আছেন। আমি শতভাগ নিশ্চিত তদন্তকারী কর্মকর্তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত করবেন, ইনশাআল্লাহ।

আমি সম্মানিত সংবাদ কর্মী ভাই ও বোনদের প্রতি আহবান জানাই, আমার বিরুদ্ধে নগরকান্দা থানায় কত গুলো মামলা আছে এবং আমার বিরুদ্ধে কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা কোন কুচক্রি মহলের মনগড়া কথায় বিশ্বাস করে আপনি ও আপনার পত্রিকার সম্মান ক্ষুন্ন করবেন না।

নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগের আমি সভাপতি প্রার্থী ঘোষনার পর থেকেই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি যাতে সভাপতি না হতে পারি সেজন্য আমার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিভিন্ন সময় আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
প্রাণের স্পন্দন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যখন ক্ষমতায় ছিল না তখনও যেমন নির্যাতিত হয়েছি, এখন দল ক্ষমতায় আমি ও আমার পরিবার এখনো তেমনি নির্যাতিত।

আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপার কাছে সাহায্য প্রার্থণা করছি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য খবর এই ক্যাটাগরিরঃ